চুন-বালি-খসা কঙ্কালসার জঞ্জাল ভরা বাড়ী,
ঘন জঙ্গলে ঘেরা চারিধার, দেখিলে চিনিতে পারি।
সর্বদা তার রুদ্ধ দুয়ার, কেহ নাই মনে হয়-
দেয় ধূম আর ক্ষীণ আলোটুকু বসতির পরিচয়,
বালক পুত্র লয়ে হোতা থাকে কৃপণ অগ্রদানী
পত্নী তাহার দু’বছর আগে ধরা ত্যাজিয়াছে জানি।
এমনি পাষাণ যখন তখন চলে যায় কাজ পেলে,
বিজন কুটীরে দশ বছরের ছেলেকে একাকী ফেলে।
স্নিগ্ধকান্তি ছেলেটি তাহার স্নেহ-মমতায় মাথা-
যেন লৌহের স্তম্ভের গায় কনক-কুসুম আঁকা।
পুত্র এমনি পিতার বাধ্য যাবে না বাহিরে আর...
রহে জীবন্ত মণি-মরকত রুধি’ ভাণ্ডার-দ্বার।








